141.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ কবে শুরু হয়?
a) ১৯৪৫ সালে
b) ১৯৪৪ সালে
c) ১৯৩৯ সালে
✓
d) ১৯৪২ সালে
ব্যাখ্যা:
উত্তর: ১৯৩৯ সালে**।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যঃ
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় - ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৯ সালে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে - ২ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৫ সালে।
অক্ষশক্তি (= Axis Powers) - জার্মানি, জাপান ও ইতালি।
মিত্রশক্তি (= Allied Powers) - ব্রিটেন, ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্র, চীন, রাশিয়া ও পোল্যান্ড।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি যোগদান করে - ৮ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সালে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে পিতৃভূমি বলা হয় - রাশিয়াকে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে বাফার স্টেট ছিল - বেলজিয়াম।
142.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় কোরিয়া নিচের কোন দেশের অধীনে ছিল?
a) যুক্তরাষ্ট্র
b) জাপান
✓
c) চীন
d) রাশিয়া
ব্যাখ্যা:
উত্তর: জাপান।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যঃ
কুমিল্লায় অবস্থিত ওয়ার সিমেট্রি স্বাক্ষ্য বহন করে - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে কোরিয়া ও তাইওয়ান জাপানের অধীন ছিল।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ইরান জার্মানিকে এবং বাংলাদেশ বৃটেনকে সমর্থন করে।
ডেসার্ট ফক্স' নামে পরিচিত - ফিল্ড মার্শাল রোমেল।
হিটলার রাশিয়া আক্রমণ করে - ২২জুন, ১৯৪১।
জাপান পার্ল হারবারে মার্কিন নৌ ঘাটি আক্রমণ করে - ৭ ডিসেম্বর, ১৯৪১।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি যোগ দেয় - ৮ ডিসেম্বর, ১৯৪১ (জাপান পার্ল হারবার আক্রমণ করলে)।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মরুভূমিতে যুদ্ধ করে ‘ডেজার্ট ব্যাট' উপাধি পান – মন্টেগোমারি (বৃটেন)।
143.
হিটলার কর্তৃক কোন দেশ আক্রমণ দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের প্রত্যক্ষ কারণ?
a) অস্ট্রিয়া
b) চেকোস্লোভাকিয়া
c) রাশিয়া
d) পোল্যান্ড
✓
ব্যাখ্যা:
উত্তর: পোল্যান্ড।
এডলফ হিটলার
১৮৮৯: অস্ট্রো-হাঙ্গেরীতে (বর্তমান হাঙ্গেরী) জন্ম।
১৯২০: জার্মান শ্রমিক সংঘের জনসভায় নাৎসি পার্টির ২৫ দফা ইশতেহার দেন।
১৯২১: National Socialist German Workers Party (NSDAD) এর চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। যেটি নাৎসি (NAZI) নামে পরিচিত।
কারান্তরীণ থাকার সময় তিনি তাঁর আত্মজীবনী Mein Kampf বা My Struggle লিখেন।
১৯৩৩: হিটলারের মিলিটারি প্রধান Hermann Wilhelm Göring কর্তৃক 'গেস্টাপো' নামের গোপন পুলিশ বাহিনী গঠন।
৩০ এপ্রিল, ১৯৪৫: বার্লিনের একটি সামরিক বাঙ্কারে বান্ধবী ইভা ব্রাউনসহ আত্মহত্যা করেন ।
• উক্তি: “যুদ্ধই জীবন, যুদ্ধই সার্বজনীন”।
• উপাধিঃ ফুয়েরার (যুদ্ধবাজ)।
144.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে পার্ল হারবার আক্রমণ করেছিল কোন দেশ?
a) রাশিয়া
b) ইতালি
c) জার্মানি
d) জাপান
✓
ব্যাখ্যা:
উত্তর: জাপান।
পরিচিতি : প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াই দ্বীপের হুনুলুলুর কাছে অবস্থিত মার্কিন নৌ ঘাঁটি।
জাপান পার্ল হারবারে আক্রমণ করে: ৭ ডিসেম্বর, ১৯৪১ তারিখে সকাল ৭টা ৪৮ মিনিটে।
হামলার পটভূমিঃ মনরো ডকট্রিন (১৮২৩) অনুসরণ করার কারণে পার্ল হারবারে আক্রমণের আগ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অংশগ্রহণ করা থেকে বিরত থাকে।
কিন্তু জাপান উগ্র সাম্রাজ্যবাদ নীতি অনুসরণ করে ১৯৩৭ সালে চীনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করলে এবং নানকিং গণহত্যা সংঘটিত করলে যুক্তরাষ্ট্র জাপানের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক অবরোধ আরোপ করে।
যার ফলশ্রুতিতে জাপান মার্কিন নৌ ঘাঁটি পার্ল হারবারে আক্রমণ করে।
ফলাফল: যুক্তরাষ্ট্র ১৯৪১ সালের ৮ ডিসেম্বর জাপানের বিরুদ্ধে এবং ১১ ডিসেম্বর জার্মানি ও ইতালির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে ।
জাপান কর্তৃক অপারেশনের নাম: অপারেশন টোরা টোরা।
145.
জার্মান আক্রমণ হতে রক্ষা পাওয়ার জন্য ফ্রান্স কর্তৃক জার্মান-ফ্রান্স সীমান্তে নির্মিত সুরক্ষিত সীমারেখা কোনটি?
a) হিন্ডারবার্গ লাইন
b) ম্যাকমােহন লাইন
c) ডুরাল্ড লাইন
d) ম্যাজিনাে লাইন
✓
ব্যাখ্যা:
উত্তর: ম্যাজিনাে লাইন।
ম্যাজিনো লাইনঃ ফ্রান্স কর্তৃক জার্মান-ফ্রান্স সীমান্তে নির্মিত সুরক্ষিত সীমারেখা।
হিন্ডারবার্গ লাইনঃ জার্মান ও পোল্যান্ডের সীমানা চিহ্নিতকরণ রেখা।
ডুরান্ড লাইনঃ পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে সীমানা চিহ্ণিতকরণ রেখা।
ম্যাকমোহন লাইনঃ ভারত ও চীনের মধ্যে সীমানা চিহ্ণিতকরণ রেখা।
146.
১৯৪৭ সালে উপমহাদেশ বিভক্তির সময় ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে নিরূপিত সীমারেখা-
a) র্যাডক্লিফ লাইন
✓
b) ম্যাকমােহন লাইন
c) ডুরান্ড লাইন
d) ম্যানারহেইম লাইন
ব্যাখ্যা:
উত্তর: র্যাডক্লিফ লাইন।
১৯৪৭ সালে উপমহাদেশ বিভক্তির সময় ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে নিরূপিত সীমারেখা - র্যাডক্লিফ লাইন
ডুরান্ড লাইনঃ পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে সীমানা চিহ্ণিতকরণ রেখা।
ম্যাকমোহন লাইনঃ ভারত ও চীনের মধ্যে সীমানা চিহ্ণিতকরণ রেখা।
ম্যানারহেইম লাইনঃ রাশিয়া-ফিনল্যান্ড সীমান্তে জেনারেল ম্যানহেইম কর্তৃক নির্মিত সুরক্ষিত সীমারেখা।
147.
দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের শুরুতে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
a) এটলি
b) চার্চিল
c) চেম্বারলিন
✓
d) রুজভেল্ট
ব্যাখ্যা:
উত্তর: চেম্বারলিন।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি দেশের প্রধানঃ
জার্মানি - এডলফ হিটলার।
জাপান - সম্রাট হিরোহিত।
দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধানমন্ত্রী - ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট
তারপর হন হ্যারি এস ট্রুম্যান।
ইতালি - বেনিতো মুসোলিনি।
রাশিয়া - যোসেফ স্ট্যালিন।
দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের শুরুতে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী - চেম্বারলিন
তারপর হন - উইনস্টন চার্চিল।
148.
Which country surrendered unconditionally during the world War II?
a) Germany
✓
b) France
c) Serbia
d) Austria
ব্যাখ্যা:
উত্তর: Germany.
ক. ইতালির আত্মসমর্পণ:
১৯৪৩ সালের ২৫ জুলাই মুসোলিনী পদত্যাগে বাধ্য হন। এরপর ৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৩ সালে মিত্রশক্তি সিসিলি আক্রমণ করে ইতালিকে পরাজিত করে।
খ. জার্মানির আত্মসমর্পণ:
জার্মানি আত্মসমর্পণ করে- ৭ মে, ১৯৪৫
আত্মসমর্পণ চুক্তি হয়— ফ্রান্সের উত্তর পশ্চিমাঞ্চলীয় বিমস্ শহরে।
জার্মানির পক্ষে আত্মসমর্পণ পত্রে স্বাক্ষর করে- ফিল্ড মার্শাল উইলহেম কেইটেল।
মিত্রপক্ষের হয়ে স্বাক্ষর করে- জেনারেল আইজেনহাওয়ার।
ইউরোপে বিজয় দিবস উদযাপন করা হয়- ৮ মে, ১৯৪৫।
গ. জাপানের আত্মসমর্পণ:
জাপান আত্মসমর্পণের ঘোষণা দেয়- ১৪ আগস্ট, ১৯৪৫ এবং আত্মসমর্পণ চুক্তি স্বাক্ষর করে- ২ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৫
জাপানের পক্ষে স্বাক্ষর করেন- দেশটির তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মামুরু শিগেমিৎসু এবং
যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে স্বাক্ষর করেন- ম্যাক আর্থার।
আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠান হয়— মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস মিসৌরিতে।
149.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করা হয়েছিল জার্মানির –
a) বার্লিনে
b) হাইডেলবার্গে
c) বনে
d) ন্যুরেমবার্গে
✓
ব্যাখ্যা:
উত্তর: ন্যুরেমবার্গে।
মিত্রশক্তির প্রতিনিধিত্বকারী বিচারকদের পরিচালনায় জার্মানির নুরেমবার্গে যুদ্ধ-পরবর্তী যুদ্ধাপরাধের বিচারের জন্য সর্বাধিক পরিচিত আন্তর্জাতিক সামরিক ট্রাইব্যুনালে (আইএমটি- International Military Tribunal) শীর্ষস্থানীয় জার্মান কর্মকর্তাদের বিচার করা হয়েছিল।
১৯৪৫ সালের ১৮ ই অক্টোবর থেকে ১৯৪৬ সালের ১ অক্টোবর পর্যন্ত আইএমটি, শান্তির বিরুদ্ধে অপরাধ, যুদ্ধাপরাধ, এবং মানবতাবিরোধী অপরাধ এবং এই জাতীয় অপরাধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগে শীর্ষ যুদ্ধাপরাধীর বিচার করেছিল।
150.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় 'জাপান-জার্মানি-ইতালি' এই তিন শক্তিকে একত্রে বলা হত-
a) অক্ষ শক্তি
✓
b) যুগ্ম শক্তি
c) অশ্ব শক্তি
d) মিত্র শক্তি
ব্যাখ্যা:
উত্তর: অক্ষ শক্তি।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যঃ
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় - ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৯ সালে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে - ২ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৫ সালে।
অক্ষশক্তি (= Axis Powers) - জার্মানি, জাপান ও ইতালি।
মিত্রশক্তি (= Allied Powers) - ব্রিটেন, ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্র, চীন, রাশিয়া ও পোল্যান্ড।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি যোগদান করে - ৮ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সালে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে পিতৃভূমি বলা হয় - রাশিয়াকে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে বাফার স্টেট ছিল - বেলজিয়াম।
151.
কোন দেশটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে অক্ষশক্তি ছিল না?
a) ফ্রান্স
✓
b) ইতালি
c) জাপান
d) জার্মান
ব্যাখ্যা:
উত্তর: ফ্রান্স।
152.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ছিলেন-
a) আইসেন হাওয়ার
b) জন এফ কেনেডি
c) ফ্রাংকলিন রুজভেল্ট
✓
d) চার্চিল
ব্যাখ্যা:
উত্তর: ফ্রাংকলিন রুজভেল্ট।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শুরু থেকে ১৯৪৫ সালের এপ্রিল মাস পর্যন্ত আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ছিলেন ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট। ১৯৪৫ সালের ১১ এপ্রিল রুজভেল্ট মারা যাওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হন হ্যারি এস ট্রুম্যান।
153.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে আমেরিকার অংশগ্রহণের প্রত্যক্ষ কারণ কী?
a) হিটলারের রাশিয়া আক্রমণ
b) জার্মানি কর্তৃক ফ্রান্স অধিকার
c) জার্মানির ইংল্যান্ড আক্রমণ
d) পার্ল হারবারে বােমাবর্ষণ
✓
ব্যাখ্যা:
উত্তর: পার্ল হারবারে বােমাবর্ষণ।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে আমেরিকা যোগদানের একমাত্র প্রত্যক্ষ কারণ জাপান কর্তৃক আমেরিকার নৌঘাঁটি পার্ল হারবার এ আক্রমণ। ঘটনার প্রথম পর্যায়ে দেখা যায় ইন্দোচীনে জাপানের সেনা মোতায়ন প্রত্যাহার করার নির্দেশ দিলে জাপান তা অস্বীকার করে । পরবর্তীতে দুই পক্ষের মধ্যে এ বিষয়ে আলোচনার উদ্দেশে ওয়াশিংটনে মিলিত হয় । কিন্তু এর মধ্যেই জাপান অঘোষিত আক্রমণ করে বসে ।
উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরের হাওয়াই দ্বীপে আমেরিকার নৌঘাঁটি পার্ল হারবারে ১৯৪১ সালে ৭ ডিসেম্বর সকাল আনুমানিক সাতটার দিকে জাপান আক্রমণ করে। এতে জাপান ৭২ টি যুদ্ধজাহাজ ও প্রায় ৪৪-৪৫ টি যুদ্ধবিমান নিয়ে জাপান নৌ ও বিমানবহর নিয়ে পার্ল হারবারে বোমা নিক্ষেপ করে । এতে প্রায় দুই হাজার এর বেশি মার্কিন সৈন্য ও অন্যান্য মানুষ প্রাণ হারায়।
হিটলারের পোল্যান্ড আক্রমণের মধ্য দিয়ে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হলেও জাপান কর্তৃক পার্ল হারবার আক্রমণ এর মধ্যে দিয়ে যুদ্ধে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয় । এরপর থেকেই আমেরিকা নিরপেক্ষতার নীতি ভেঙে জাপানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেএবং সরাসরি যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করে।
154.
শান্তির জন্য প্রথম কোন নারী নােবেল পুরস্কার পান?
a) আলভা মায়ারডাল
b) অং সান সুচি
c) শিরিন এবাদি
d) মাদার তেরেসা
✓
ব্যাখ্যা:
উত্তর: মাদার তেরেসা।
শান্তিতে প্রথম মহিলা নোবেল বিজয়ী বার্থাভন সুটনার (অস্ট্রিয়া , ১৯০৫ সালে। তবে উল্লিখিত চারজনের মধ্যে প্রথম নোবেল জয়ী মাদার তেরেসা। মাদার তেরেসা (আলবেনীয় বংশোদ্ভুত ) ১৯৭৯ সালে, আলভা মায়ারডাল (সুইডেন) ১৯৮২ সালে, অংসান সুচি (মিয়ানমার) ১৯৯০ সালে এবং শিরিন এবাদি (ইরান) ২০০৩ সালে নোবেল বিজয়ী হন।
155.
“ডিজ আর্মিং ইরাক” গ্রন্থটি রচয়িতা কে?
a) সালমান রুশদি
b) কুলদীপ নায়ার
c) হ্যান্স ব্লিক্স
✓
d) হিলারি ক্লিনটন
ব্যাখ্যা:
উত্তর: হ্যান্স ব্লিক্স।
156.
“Let us not be deceived- Today we are in the midst of the Cold War”-উক্তিটি কার?
a) উইনস্টন চার্চিল
b) বার্নাড বুরুচ
✓
c) ওয়াল্টার লিপম্যান
d) রবার্ট বুরুচ
ব্যাখ্যা:
উত্তর: বার্নাড বুরুচ।
157.
ঠাণ্ডা লড়াই ছিল মূলত-
a) পুঁজিবাদ ও সমাজতন্ত্রের আদর্শগত দ্বন্দ্ব
✓
b) সরাসরি যুদ্ধ
c) অর্থনৈতিক দ্বন্দ্ব
d) সাংস্কৃতিক দ্বন্দ্ব
ব্যাখ্যা:
উত্তর: পুঁজিবাদ ও সমাজতন্ত্রের আদর্শগত দ্বন্দ্ব।
১৯৪৫ সাল থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত সমাজতান্ত্রিক (Socialist) সোভিয়েত ইউনিয়ন ও পুঁজিবাদী (Capitalist) যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যে সংঘাত হয় তা ইতিহাসে স্নায়ুযুদ্ধ/ ঠান্ডা যুদ্ধ নামে পরিচিত।
158.
COMECON-এর পূর্ণরূপ কী?
a) Council of Military Confederation
b) Council for Mutual Military Network
c) Council of Mutual Economic Assistance
d) Council for Mutual Economic Assistance
✓
ব্যাখ্যা:
উত্তর: COMECON : Council for Mutual Economic Assisstance ।
প্রতিষ্ঠা: ১৯৪৯ ।
সোভিয়েত ব্লকের অন্তর্গত পূর্ব ইউরোপীয় দেশগুলির অর্থনৈতিক উন্নয়নের সুবিধার্থে এবং সমন্বয় করার জন্য 1949 সালের জানুয়ারিতে প্রতিষ্ঠিত সংস্থা।
পরিচয়: পূর্ব ইউরোপের সমাজতান্ত্রিক দেশগুলোর অর্থনৈতিক জোট ।
সদর দপ্তর: মস্কো।
সদস্য ছিল: পূর্ব ইউরোপীয় ০৮টি সহ মোট ১১টি ।
সমাজতান্ত্রিক দেশ: আলবেনিয়া, বুলগেরিয়া, রুমানিয়া, চেকোস্লোভাকিয়া, হাংগেরি, পূর্ব জার্মানি, পোল্যান্ড ও সোভিয়েত ইউনিয়ন, মঙ্গোলিয়া, কিউবা, ভিয়েতনাম।
বিলুপ্ত: ১৯৯১।
159.
কিউবাতে সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব ঘটে কত সালে?
a) ১৯৫৫ সালে
b) ১৯৫৭ সালে
c) ১৯৫৯ সালে
✓
d) ১৯৬২ সালে
ব্যাখ্যা:
উত্তর: ১৯৫৯।
কিউবান বিপ্লব (১৯৫৯) -
কিউবান বিপ্লব হল একটি সশস্ত্র বিপ্লব যার পরিণতিতে ১৯৫৯ সালের ১লা জানুয়ারি কিউবার একনায়কতন্ত্রী শাসক ফুলগেনসিও বাতিস্তার পরাজয় ঘটে এবং ফিদেল কাস্ত্রো কর্তৃক একদলীয় কমিউনিস্ট শাসন প্রবর্তিত হয়।
160.
কিউবান মিসাইল সংকট হয় কত সালে?
a) ১৯৫৫ সালে
b) ১৯৫৭ সালে
c) ১৯৫৯ সালে
d) ১৯৬২ সালে
✓
ব্যাখ্যা:
উত্তর: ১৯৬২ সালে।
সংকটকাল: ১৬ থেকে ২৮ অক্টোবর, ১৯৬২ [১৩ দিন]
প্রেক্ষাপট: যুক্তরাষ্ট্র তুরস্কে সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপন করলে সোভিয়েত ইউনিয়ন কিউবায় মাঝারি পাল্লা ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপন করে।
প্রতিক্রিয়া: মার্কিন DEFCON 3 প্রতিরক্ষা লেভেলটি গুয়ান্তানামোতে সৈন্য জড়ো করতে থাকে। ফলে ভয়াবহ পরমানু সংঘর্ষের আশঙ্কা তৈরি হয়।
তৎকালীন রাষ্ট্রপ্রধান: মার্কিন প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডি এবং সোভিয়েত সর্বোচ্চ নেতা নিকিতা ক্রুশ্চেভ।
সমাপ্তি: তুরস্ক ও ইতালি থেকে যুক্তরাষ্ট্র ক্ষেপণাস্ত্র তুলে নিলে সোভিয়েত ইউনিয়নও ক্ষেপণাস্ত্র প্রত্যাহার করে।