61.
ন্যাটো এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
a) ক. ফ্রান্স
b) খ. কানাডা
c) গ বেলজিয়াম
✓
d) ঘ উগান্ডা
ব্যাখ্যা:
উত্তর: বেলজিয়াম।
ন্যাটো চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল। যা পরবর্তীতে কার্যকর হয় ১৯৪৯ সালের ২৪ আগস্ট। চুক্তি অনুযায়ী, এর অন্তর্ভুক্ত যে কোন দেশের উপর হামলা হলে সেটি সবার হামলা হিসেবেই গণ্য হবে এবং তখন সবাই সহায়তার জন্য এগিয়ে আসবে।
ন্যাটো শব্দটিকে সম্প্রসারণ করলে দাঁড়ায়, নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি ওরগানাইজেশন বা উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট। এই ন্যাটো গঠিত হয় আটলান্টিক মহাসাগরের দুই পাড়ে অবস্থিত উত্তর আমেরিকার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা এবং ইউরোপের অধিকাংশ দেশ নিয়ে।
ন্যাটো একটি সম্মিলিত প্রতিরক্ষা গোষ্ঠী। ন্যাটোর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল ১২টি। বর্তমানে এর সদস্য সংখ্যা ৩১।
সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে মুসলিম দেশ কেবল দুটি, তুরস্ক ও আলবেনিয়া।
এর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত।
বর্তমানে ন্যাটোর মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন নরওয়ের রাজনীতিবিদ জেসন স্টলটেনবার্গ।
আলবেনিয়া, বেলজিয়াম, বুলগেরিয়া, কানাডা, ক্রোয়েশিয়া, চেক প্রজাতন্ত্র, ডেনমার্ক, এস্তোনিয়া, ফ্রান্স, জার্মানি, গ্রিস, হাঙ্গেরি, আইসল্যান্ড, ইতালি, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, লুক্সেমবার্গ, মন্টিনেগ্রো, নেদারল্যান্ডস, উত্তর মেসিডোনিয়া, নরওয়ে, পোল্যান্ড, পর্তুগাল, রোমানিয়া, স্লোভাকিয়া, স্লোভেনিয়া, স্পেন, তুরস্ক, যুক্তরাজ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ফিনল্যান্ড।
62.
১৯৪৯ সালে যখন ন্যাটো গঠিত হয়, তখন এর সদস্য রাষ্ট্রের সংখ্যা ছিল?
a) ক. ১১
b) খ. ১২
✓
c) গ. ৯
d) ঘ. ১৩
ব্যাখ্যা:
উত্তর: ১২।
ন্যাটো চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল। যা পরবর্তীতে কার্যকর হয় ১৯৪৯ সালের ২৪ আগস্ট। চুক্তি অনুযায়ী, এর অন্তর্ভুক্ত যে কোন দেশের উপর হামলা হলে সেটি সবার হামলা হিসেবেই গণ্য হবে এবং তখন সবাই সহায়তার জন্য এগিয়ে আসবে।
ন্যাটো শব্দটিকে সম্প্রসারণ করলে দাঁড়ায়, নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি ওরগানাইজেশন বা উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট। এই ন্যাটো গঠিত হয় আটলান্টিক মহাসাগরের দুই পাড়ে অবস্থিত উত্তর আমেরিকার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা এবং ইউরোপের অধিকাংশ দেশ নিয়ে।
ন্যাটো একটি সম্মিলিত প্রতিরক্ষা গোষ্ঠী। ন্যাটোর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল ১২টি। বর্তমানে এর সদস্য সংখ্যা ৩১।
সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে মুসলিম দেশ কেবল দুটি, তুরস্ক ও আলবেনিয়া।
এর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত।
বর্তমানে ন্যাটোর মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন নরওয়ের রাজনীতিবিদ জেসন স্টলটেনবার্গ।
আলবেনিয়া, বেলজিয়াম, বুলগেরিয়া, কানাডা, ক্রোয়েশিয়া, চেক প্রজাতন্ত্র, ডেনমার্ক, এস্তোনিয়া, ফ্রান্স, জার্মানি, গ্রিস, হাঙ্গেরি, আইসল্যান্ড, ইতালি, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, লুক্সেমবার্গ, মন্টিনেগ্রো, নেদারল্যান্ডস, উত্তর মেসিডোনিয়া, নরওয়ে, পোল্যান্ড, পর্তুগাল, রোমানিয়া, স্লোভাকিয়া, স্লোভেনিয়া, স্পেন, তুরস্ক, যুক্তরাজ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ফিনল্যান্ড।
63.
আলবেনিয়া স্নায়ুযুদ্ধকালীন সময়ে যে পররাষ্ট্রনীতির ধারায় চলেছিল?
a) ক. জোটনিরপেক্ষ
b) খ. মিত্রতার সম্পর্ক
c) গ. বিচ্ছিন্ন প্রবণতাভিত্তিক
✓
d) ঘ. মতাদর্শগতভিত্তিক
ব্যাখ্যা:
উত্তর: বিচ্ছিন্ন প্রবণতাভিত্তিক।
64.
কোন দেশ ন্যাটোর সদস্য নয়?
a) ক. অষ্ট্ৰিয়া
✓
b) খ. পোল্যান্ড
c) গ. হাঙ্গেরি
d) ঘ. স্পেন
ব্যাখ্যা:
উত্তর: অস্ট্রিয়া।
ন্যাটো চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল। যা পরবর্তীতে কার্যকর হয় ১৯৪৯ সালের ২৪ আগস্ট। চুক্তি অনুযায়ী, এর অন্তর্ভুক্ত যে কোন দেশের উপর হামলা হলে সেটি সবার হামলা হিসেবেই গণ্য হবে এবং তখন সবাই সহায়তার জন্য এগিয়ে আসবে।
ন্যাটো শব্দটিকে সম্প্রসারন করলে দাড়ায়, নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি ওরগানাইজেশন বা উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট। এই ন্যাটো গঠিত হয় আটলান্টিক মহাসাগরের দুই পাড়ে অবস্থিত উত্তর আমেরিকার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা এবং ইউরোপের অধিকাংশ দেশ নিয়ে।
ন্যাটো একটি সম্মিলিত প্রতিরক্ষা গোষ্ঠী। ন্যাটোর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল ১২টি। বর্তমানে এর সদস্য সংখ্যা ৩১।
সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে মুসলিম দেশ কেবল দুটি, তুরস্ক ও আলবেনিয়া।
এর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত।
বর্তমানে ন্যাটোর মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন নরওয়ের রাজনীতিবিদ জেসন স্টলবারবার্গ।
আলবেনিয়া, বেলজিয়াম, বুলগেরিয়া, কানাডা, ক্রোয়েশিয়া, চেক প্রজাতন্ত্র, ডেনমার্ক, এস্তোনিয়া, ফ্রান্স, জার্মানি, গ্রিস, হাঙ্গেরি, আইসল্যান্ড, ইতালি, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, লুক্সেমবার্গ, মন্টিনেগ্রো, নেদারল্যান্ডস, উত্তর মেসিডোনিয়া, নরওয়ে, পোল্যান্ড, পর্তুগাল, রোমানিয়া, স্লোভাকিয়া, স্লোভেনিয়া, স্পেন, তুরস্ক, যুক্তরাজ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ফিনল্যান্ড।
65.
জর্জ কেনান মার্কিন কূটনীতির ক্ষেত্রে কেন প্রসিদ্ধ?
a) ক. কূটনীতির নতুন ধারণা দেন।
b) খ ‘Containment Doctrine' এর প্রবক্তা
✓
c) গ. Dectente প্রক্রিয়ার কর্ণধার
d) ঘ. নিবারক তত্ত্বের জন্মদাতা
ব্যাখ্যা:
উত্তর: ‘Containment Doctrine' এর প্রবক্তা।
পঞ্চাশের দশকের সোভিয়েত ইউনিয়ন অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক এবং সামরিক দিক থেকে কেবল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমকক্ষ ছিল না বরং কিছু কিছু ক্ষেত্রে অনেক অগ্রসরমান ছিল। পর পর দুটি বিশ্বযুদ্ধ এশিয়া,ইউরোপ, আফ্রিকা লাটিন আমেরিকা সহ সারা পৃথিবীর অর্থনীতিকে নাজুক করে দিয়েছিল। পৃথিবী ব্যাপী দুর্বল অর্থনীতির সুযোগ নিয়ে সোভিয়েত ইউনিয়ন রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে সমাজতান্ত্রিক আর্দশের ব্যাপক বিস্তারের মনোযোগী ছিল। এসময়কালে দক্ষিণপূর্ব এশিয়া, পশ্চিম ইউরোপ, ল্যাটিন আমেরিকা এবং আফ্রিকার দেশ সমূহ সমাজতন্ত্রের দিকে ঝুঁকতে থাকে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মনে করত সোভিয়েত ইউনিয়নের সমাজতান্ত্রিক আদর্শ ডোমিনো ইফেক্টের মত অন্যান্য দেশে ছড়িয়ে পড়বে।
সোভিয়েত ইউনিয়নে সমাজতন্ত্রী আদর্শের এই ডোমিনো ইফেক্ট মোকাবেলা করতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কূটনৈতিক, সামরিক এবং অর্থনৈতিকভাবে যে নীতি গ্রহণ করে তাই হল ধারকনীতি। ধারকনীতির ধারনাটি পাওয়া যায় তৎকালীন মস্কোতে নিয়োজিত মার্কিন কূটনীতিক জর্জ এফ কেনানের কাছ থেকে।
তিনি বলেন, যেহেতু সোভিয়েত ইউনিয়ন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ন্যায় সামরিকভাবে শক্তিশালী এবং সোভিয়েত সমাজতান্ত্রিক আর্দশের সম্প্রসারণ হচ্ছে তাই সোভিয়েত ইউনিয়নকে মোকাবেলার জন্য মার্কিন নীতি হওয়া উচিত দীর্ঘস্থায়ী এবং প্রতিরোধমূলক।
পরবর্তীতে কেনানের এই মতবাদ বা দৃষ্টিভঙ্গিকে মার্কিন প্রশাসন ধারকনীতি হিসেবে গ্রহণ করে।
66.
পশ্চিম ইউরোপে ‘ট্রুম্যান ডকট্রিন' কবে ঘোষণা করা হয়?
a) ক. ১৯৪৭
✓
b) খ. ১৯৪৯
c) গ. ১৯৫০
d) ঘ. ১৯৫৩
ব্যাখ্যা:
উত্তর: ১৯৪৭।
১২ মার্চ ১৯৪৭, সােভিয়েত রাশিয়ার সাম্যবাদী বা কমিনিস্ট আদর্শের সম্প্রসারণ রােধ করার জন্য তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস ট্রুম্যান যে নীতি ঘােষণা করেন, তা ইতিহাসে ট্রুম্যান নীতি বা ট্রুম্যান ডকট্রিন (Truman Doctrine) নামে পরিচিত।
১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দে, মার্কিন সংসদের এক যৌথ অধিবেশনে ট্রুম্যান বলেন, ‘‘এখন থেকে পৃথিবীর যেকোনাে জায়গার স্বাধীন জনগণ যদি সশস্ত্র সংখ্যালঘু অথবা বাইরের শক্তির আধিপত্য বিস্তারের প্রচেষ্টাকে প্রতিরােধ করার চেষ্টা করে , সেক্ষেত্রে তাদের সাহায্য করাই হবে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের নীতি।’’ এই ঘােষণাই ট্রুম্যান নীতি নামে সর্বাধিক পরিচিত।
67.
মনরো নীতি প্রবর্তিত হয়—
a) ক. ১৮৯৮ সালে
b) খ. ১৯১৯ সালে
c) গ. ১৮৭৮ সালে
d) ঘ. ১৮২৩ সালে
✓
ব্যাখ্যা:
উত্তর: ১৮২৩ সালে।
১৮২৩ সালের ২ ডিসেম্বর তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জেমস মনরো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যে পররাষ্ট্রনীতি প্রনয়ণ করে সেটাই মনরো ডকট্রিন বা মনরো নীতি নামে পরিচিত।
মনরো নীতির উল্লেখযোগ্য দিকগুলো হলো-
★মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নিজ ভৌগোলিক সীমানার বাইরে অন্য কোনো রাষ্ট্রকে নিয়ে মাথা ঘামাবে না এবং অন্য কোনো রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীন বিষয়ে হস্তক্ষেপ করবে না।
★আমেরিকা ইউরোপের কোনো প্রকার রাজনীতিতে অংশ নিবে না।
★মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইউরোপের কোনো প্রকার যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করবে না।
★মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ভূ-খণ্ডকে পৃথিবীর কোনো দেশের রাজনৈতিক বা উপনিবেশিক স্বার্থ হাসিলের ক্ষেত্র হিসেবে ব্যবহার করতে দিবে না।
★ল্যাটিন আমেরিকার কোনো দেশে পৃথিববীর অন্য কোনো দেশের প্রভাব বা কর্তৃত্ব আমেরিকা মেনে নিবে না।
★ল্যাটিন আমেরিকার কোনো দেশ যদি ভুল পথে চলে তবে সেই দেশকে শাসন করারর অধিকার থাকবে আমেরিকার।
অর্থাৎ মনরো নীতির উদ্দেশ্য ছিলো আমেরিকাকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে পৃথিবীর প্রায় সকল ঘটনার সাথে আমেরিকাকে বিচ্ছিন্ন রেখে নিজের ঘর সামলানো,আর একারনেই মনরো নীতিকে বলা হয় -Policy of isolation বা বিচ্ছিন্ন থাকার নীতি।
68.
মনরো নীতির মূলভাব ছিল-
a) ক. বাস্তববাদ
b) খ. উদারতাবাদ
c) গ. বিচ্ছিন্নতাবাদ (Isolation)
✓
d) ঘ. পুঁজিবাদ
ব্যাখ্যা:
উত্তর: বিচ্ছিন্নতাবাদ (Isolation)।
১৮২৩ সালের ২ ডিসেম্বর তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্টজেমস মনরো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যে পররাষ্ট্রনীতি প্রনয়ন করে সেটাই মনরো ডকট্রিন বা মনরো নীতি নামে পরিচিত।
মনরো নীতির উল্লেখযোগ্য দিকগুলো হলো-
★মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নিজ ভৌগোলিক সীমানার বাইরে অন্য কোনো রাষ্ট্রকে নিয়ে মাথা ঘামাবে না এবং অন্য কোনো রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীন বিষয়ে হস্তক্ষেপ করবে না।
★আমারিকা ইউরোপের কোনো প্রকার রাজনীতিতে অংশ নিবে না।
★মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইউরোপের কোনো প্রকার যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করবে না।
★মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ভূ-খন্ডকে পৃথিবীর কোনো দেশের রাজনৈতিক বা উপনিবেশিক স্বার্থ হাসিলের ক্ষেত্র হিসেবে ব্যবহার করতে দিবে না।
★ল্যাটিন আমেরিকার কোনো দেশে পৃথিববীর অন্য কোনো দেশের প্রভাব বা কর্তৃত্ব আমেরিকা মেনে নিবে না।
★ল্যাটিন আমেরিকার কোনো দেশ যদি ভুল পথে চলে তবে সেই দেশকে শাসন করারর অধিকার থাকবে আমেরিকার।
অর্থাৎ মনরো নীতির উদ্দেশ্য ছিলো আমেরিকাকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে পৃথিবীর প্রায় সকল ঘটনার সাথে আমেরিকাকে বিচ্ছিন্ন রেখে নিজের ঘর সামলানো,আর একারনেই মনরো নীতিকে বলা হয় -Policy of isolation বা বিচ্ছিন্ন থাকার নীতি।
69.
ব্রাসেলস চুক্তি ছিল নিম্নের কোন চুক্তির সম্প্রসারিত রূপ?
a) ডানকার্ক চুক্তি
✓
b) কমেকন চুক্তি
c) কমিনফর্ম চুক্তি
d) উত্তর আটলান্টিক চুক্তি
ব্যাখ্যা:
উত্তর: ডানকার্ক চুক্তি।
২য় বিশ্বযুদ্ধের পর সম্ভাব্য জার্মান আক্রমণ ঠেকাতে ফ্রান্স এবং যুক্তরাজ্য ফ্রান্সের ডানকার্কে ১৯৪৭ সালে একটি চুক্তি করে যা "ডানকার্ক চুক্তি" নামে পরিচিত। এই চুক্তিরই সম্প্রসারিত রূপ হলো ব্রাসেলস চুক্তি।
ব্রাসেলস চুক্তি (Brussels Treaty) -
স্বাক্ষর: ১৭ মার্চ, ১৯৪৮
স্বাক্ষরকারী: ৫টি দেশ ( বৃটেন, ফ্রান্স, বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ডস
ও লুক্সেমবার্গ )।
বিষয়বস্তু: সোভিয়েত আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ডানকার্ক চুক্তির সম্প্রসারণ।
চুক্তির ফলাফল:
ক. ন্যাটো প্ৰতিষ্ঠা (১৯৪৯)।
খ. Council of Europe (১৯৪৯)।
গ. Organization for European Economic Cooperation (১৯৪৮) ।
ঘ. European Coal and Steel Community (১৯৫১)।
70.
ডানকার্ক চুক্তি কত সালে স্বাক্ষরিত হয়?
a) ১৯৪৭ সালে
✓
b) ১৯৪৮ সালে
c) ১৯৫০ সালে
d) ১৯৫৭ সালে
ব্যাখ্যা:
উত্তর: ১৯৪৭ সালে।
ডানকার্ক চুক্তি (Treaty of Dunkirk) -
স্বাক্ষর: ৪ মার্চ, ১৯৪৭
স্বাক্ষরকারী: বৃটেন ও ফ্রান্স ।
বিষয়বস্তু: জার্মানির মত সমাজতান্ত্রিক সোভিয়েত ইউনিয়নকে শত্রু হিসেবে সন্দেহ পোষণ।
71.
ডানকার্ক চুক্তি কোন কোন দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়?
a) ফ্রান্স-যুক্তরাষ্ট্র
b) ব্রিটেন-ফ্রান্স
✓
c) ফ্রান্স-জার্মানি
d) যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা:
উত্তর: ব্রিটেন-ফ্রান্স।
ডানকার্ক চুক্তি (Treaty of Dunkirk) -
স্বাক্ষর: ৪ মার্চ, ১৯৪৭
স্বাক্ষরকারী: বৃটেন ও ফ্রান্স ।
বিষয়বস্তু: জার্মানির মত সমাজতান্ত্রিক সোভিয়েত ইউনিয়নকে শত্রু হিসেবে সন্দেহ পোষণ।
72.
কোন দেশের আক্রমণকে প্রতিহত করার জন্য ডানকার্ক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল?
a) ফ্রান্স
b) যুক্তরাষ্ট্র
c) জার্মানি
✓
d) সােভিয়েত ইউনিয়ন
ব্যাখ্যা:
উত্তর: জার্মানি।
পুঁজিবাদী পশ্চিম ইউরোপের প্রতিক্রিয়া স্বরুপ স্বাক্ষরিত হয়েছিল ।
ডানকার্ক চুক্তি (Treaty of Dunkirk) -
স্বাক্ষর: ৪ মার্চ, ১৯৪৭
স্বাক্ষরকারী: বৃটেন ও ফ্রান্স ।
বিষয়বস্তু: জার্মানির মত সমাজতান্ত্রিক সোভিয়েত ইউনিয়নকে শত্রু হিসেবে সন্দেহ পোষণ।
ব্রাসেলস চুক্তি (Brussels Treaty)
স্বাক্ষর: ১৭ মার্চ, ১৯৪৮
স্বাক্ষরকারী: ৫টি দেশ [বৃটেন, ফ্রান্স, বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ডস ও লুক্সেমবার্গ]
বিষয়বস্তু: সোভিয়েত আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ডানকার্ক চুক্তির সম্প্রসারণ।
73.
ব্রাসেলস চুক্তি কত সালে কার্যকর হয়?
a) ১৯৪৭ সালে
b) ১৯৪৮ সালে
✓
c) ১৯৪৯ সালে
d) ১৯৫২ সালে
ব্যাখ্যা:
উত্তর: ১৯৪৮ সালে।
পুঁজিবাদী পশ্চিম ইউরোপের প্রতিক্রিয়া স্বরুপ স্বাক্ষরিত হয়েছিল ব্রাসেলস চুক্তি (Brussels Treaty)
স্বাক্ষর: ১৭ মার্চ, ১৯৪৮
স্বাক্ষরকারী: ৫টি দেশ [বৃটেন, ফ্রান্স, বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ডস ও লুক্সেমবার্গ]
বিষয়বস্তু: সোভিয়েত আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ডানকার্ক চুক্তির সম্প্রসারণ।
74.
ব্রাসেলস চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী দেশ ছিল কতটি?
a) ৪টি
b) ৫টি
✓
c) ৭টি
d) ১০টি
ব্যাখ্যা:
উত্তর: ৫টি।
পুঁজিবাদী পশ্চিম ইউরোপের প্রতিক্রিয়া স্বরুপ স্বাক্ষরিত হয়েছিল ব্রাসেলস চুক্তি (Brussels Treaty)।
স্বাক্ষর: ১৭ মার্চ, ১৯৪৮।
স্বাক্ষরকারী: ৫টি দেশ [বৃটেন, ফ্রান্স, বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ডস ও লুক্সেমবার্গ]
বিষয়বস্তু: সোভিয়েত আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ডানকার্ক চুক্তির সম্প্রসারণ।
75.
মার্শাল প্লান-এর প্রত্যুত্তরে রাশিয়া নিম্নের কোন সংস্থাটি গড়ে তােলে?
a) কমেকন
✓
b) কমিনফর্ম
c) ওয়ারশ প্যাক্ট
d) কমিনটার্ম
ব্যাখ্যা:
উত্তর: COMECON.
COMECON : Council for Mutual Economic Assistance ।
প্রতিষ্ঠা: ১৯৪৯ ।
সোভিয়েত ব্লকের অন্তর্গত পূর্ব ইউরোপীয় দেশগুলির অর্থনৈতিক উন্নয়নের সুবিধার্থে এবং সমন্বয় করার জন্য 1949 সালের জানুয়ারিতে প্রতিষ্ঠিত সংস্থা।
পরিচয়: পূর্ব ইউরোপের সমাজতান্ত্রিক দেশগুলোর অর্থনৈতিক জোট ।
সদর দপ্তর: মস্কো।
সদস্য ছিল: পূর্ব ইউরোপীয় ০৮টি সহ মোট ১১টি ।
সমাজতান্ত্রিক দেশ: আলবেনিয়া, বুলগেরিয়া, রুমানিয়া, চেকোস্লোভাকিয়া, হাংগেরি, পূর্ব জার্মানি, পোল্যান্ড ও সোভিয়েত ইউনিয়ন, মঙ্গোলিয়া, কিউবা, ভিয়েতনাম।
বিলুপ্ত: ১৯৯১।
76.
পূর্ব ও পশ্চিমের দ্বন্দ্বের ফলে পূর্বের যে অর্থনৈতিক সংগঠনটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল তা হলাে-
a) মার্শাল প্রান
b) কমেকন
✓
c) কমিনফর্ম
d) ইইসি
ব্যাখ্যা:
উত্তর: কমেকন।
COMECON : Council for Mutual Economic Assistance ।
প্রতিষ্ঠা: ১৯৪৯ ।
সোভিয়েত ব্লকের অন্তর্গত পূর্ব ইউরোপীয় দেশগুলির অর্থনৈতিক উন্নয়নের সুবিধার্থে এবং সমন্বয় করার জন্য 1949 সালের জানুয়ারিতে প্রতিষ্ঠিত সংস্থা।
পরিচয়: পূর্ব ইউরোপের সমাজতান্ত্রিক দেশগুলোর অর্থনৈতিক জোট ।
সদর দপ্তর: মস্কো।
সদস্য ছিল: পূর্ব ইউরোপীয় ০৮টি সহ মোট ১১টি ।
সমাজতান্ত্রিক দেশ: আলবেনিয়া, বুলগেরিয়া, রুমানিয়া, চেকোস্লোভাকিয়া, হাংগেরি, পূর্ব জার্মানি, পোল্যান্ড ও সোভিয়েত ইউনিয়ন, মঙ্গোলিয়া, কিউবা, ভিয়েতনাম।
বিলুপ্ত: ১৯৯১।
77.
কমেকন গঠনের উদ্যোক্তা ছিল কোন দেশ?
a) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
b) সােভিয়েত ইউনিয়ন
✓
c) ব্রিটেন
d) ফ্রান্স
ব্যাখ্যা:
উত্তর: সােভিয়েত ইউনিয়ন।
COMECON : Council for Mutual Economic Assistance ।
প্রতিষ্ঠা: ১৯৪৯ ।
সোভিয়েত ব্লকের অন্তর্গত পূর্ব ইউরোপীয় দেশগুলির অর্থনৈতিক উন্নয়নের সুবিধার্থে এবং সমন্বয় করার জন্য 1949 সালের জানুয়ারিতে প্রতিষ্ঠিত সংস্থা।
পরিচয়: পূর্ব ইউরোপের সমাজতান্ত্রিক দেশগুলোর অর্থনৈতিক জোট ।
সদর দপ্তর: মস্কো।
সদস্য ছিল: পূর্ব ইউরোপীয় ০৮টি সহ মোট ১১টি ।
সমাজতান্ত্রিক দেশ: আলবেনিয়া, বুলগেরিয়া, রুমানিয়া, চেকোস্লোভাকিয়া, হাংগেরি, পূর্ব জার্মানি, পোল্যান্ড ও সোভিয়েত ইউনিয়ন, মঙ্গোলিয়া, কিউবা, ভিয়েতনাম।
বিলুপ্ত: ১৯৯১।
78.
কমেকন কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
a) ১৯৪৭ সালে
b) ১৯৪৮ সালে
c) ১৯৪৯ সালে
✓
d) ১৯৫০ সালে
ব্যাখ্যা:
উত্তর: ১৯৪৯ সালে
COMECON : Council for Mutual Economic Assistance ।
প্রতিষ্ঠা: ১৯৪৯ ।
সোভিয়েত ব্লকের অন্তর্গত পূর্ব ইউরোপীয় দেশগুলির অর্থনৈতিক উন্নয়নের সুবিধার্থে এবং সমন্বয় করার জন্য 1949 সালের জানুয়ারিতে প্রতিষ্ঠিত সংস্থা।
পরিচয়: পূর্ব ইউরোপের সমাজতান্ত্রিক দেশগুলোর অর্থনৈতিক জোট ।
সদর দপ্তর: মস্কো।
সদস্য ছিল: পূর্ব ইউরোপীয় ০৮টি সহ মোট ১১টি ।
সমাজতান্ত্রিক দেশ: আলবেনিয়া, বুলগেরিয়া, রুমানিয়া, চেকোস্লোভাকিয়া, হাংগেরি, পূর্ব জার্মানি, পোল্যান্ড ও সোভিয়েত ইউনিয়ন, মঙ্গোলিয়া, কিউবা, ভিয়েতনাম।
বিলুপ্ত: ১৯৯১।
79.
"Imperialism, the Highest Stage of Capitalism" বইটি কার লেখা?
a) টমাস
b) ভি আই লেনিন
✓
c) কার্ল মার্কস
d) এন্টিনিও গ্রামসি
ব্যাখ্যা:
উত্তর: ভি আই লেনিন লেনিন।
পরিচয়: রুশ কমিউনিস্ট পার্টি ও সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠাতা।
উত্তরসূরী ছিলেন: মার্কস ও এঙ্গেলসের মতবাদের।
নেতাঃ সর্বহারাদের।
বলশেভিক পার্টির প্রতিষ্ঠা: ১৯০৩
বিদেশ থেকে প্রকাশিত তাঁর পত্রিকার নাম: ইসক্রা।
তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ: 'Imperialism: The Highest Stage of Capitalism (1917), Materialism and Empirio Criticism', 'Philosophical Notebook' (মার্কসের ‘ডাস ক্যাপিটাল' গ্রন্থের সমালোচনা), 'State and Revolution' ।
উক্তি: সাম্রাজ্যবাদ পুঁজিবাদের সর্বোচ্চ স্তর।
80.
প্রশান্ত মহাসাগরে যুক্তরাষ্ট্রের সপ্তম নৌবহরের সদর দপ্তর হচ্ছে-
a) ইউকোসুক
✓
b) হাওয়াই
c) গোয়াম
d) সুবিক বে
ব্যাখ্যা:
উত্তর: ইউকোসুক।
১৯৪৩ সালে মার্কিন ৭ম নৌবহর প্রতিষ্ঠা করা হয়।
মার্কিন সপ্তম নৌ বহরে আছে ৭০-৮০টি জাহাজ, ৩০০টি যুদ্ধ বিমান এবং প্রায় ৪০,০০০ সেনা।
সপ্তম নৌবহরের প্রথম কেন্দ্র ছিল অস্ট্রেলিয়ার ব্রিসবেনে। বর্তমানে মার্কিন সপ্তম নৌবহরের কেন্দ্র অবস্থিত জাপানের ইউকোসুকতে। এছাড়াও, মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের কেন্দ্র আছে পারস্য উপসাগরে অবস্থিত বাহরাইনের মিনা সলোমন দ্বীপপুঞ্জে।
প্রশান্ত মহাসাগরের ফিলিপাইনের সুবিক বে ২০১২ সাল পর্যন্ত ছিলো মার্কিন সামরিক ঘাঁটি এবং প্রশান্ত মহাসাগরের হাওয়াই দ্বীপে অবস্থিত সামরিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ পার্ল হারবার।